Skip to main content

প্রকাশ হলো দেহলিজ -৬

দেহলিজ-৬ প্রকাশিত হলো 

ক্লিক করুন | Click Here

 
বহু প্রতিক্ষার পর, ফির`সে দেহলিজ । প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই কবি ও লেখক বন্ধুদের । তারা ভরসা রেখেছেন, কঠিন সময়ে যোগাযোগ রেখেছেন, ফোনে কথা বলেছেন । এই করোনা কালে, বেঁচে থাকাই হলো একটা গল্প, লড়াই করে যাওয়াই একটা কবিতা । দিল্লি এনসিআর এর কবি বন্ধুরা আমার সঙ্গে ছিলেন, তারা আমার হয়ে দেহলিজের লেখা নিয়েছেন, নিজেরা এডিট করেছেন । দিল্লির এই রুক্ষতার আবহেও এতসুন্দর একটা সাহিত্য উপস্থাপনা আমাদের দিয়েছেন, আমি সেই দেহলিজ সহযোগীদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই । শুধু দিল্লি নয়, মেদিনীপুর, শিলিগুড়ি, বহরমপুর, হাওড়া, বাঁশদ্রোনী থেকেও আমাদের সঙ্গে থেকেছেন, ধন্যবাদ জানাই সেইসব লেখক ও কবিদের । 
 
এই সংখ্যায় কিছু নতুন টেমপ্লেট নেওয়া হলো । ডেস্কটপ ও মোবাইল থিম আলাদা করা হয়েছে । নতুন করে সাজানো হয়েছে মেনু লিংক । অটোমেশন করা হয়েছে । সংখ্যায় বৈচিত্র নিয়ে কিছু কাজ করা হলো । কবিতা ছাড়াও রাখা হলো মুক্তগদ্য, অনূদিত নাটক, বই রিভিউ, স্মৃতিচারনা ও ছোট হল্প । আর একটি বিষয় নিয়ে এই প্রথম কাজ করা হলো সেটা হলো - কবিতা ও চিত্রকলার মিলনসংহার । ৬ জন কবির কবিতাকে উডকাট ব্লাক এন্ড হোয়াইটের চিত্রে মিশিয়ে দিয়েছে শিল্পী । এই সমস্তই আমাদের কাছে নতুন কাজ ।

লেখক বন্ধুদের প্রতি এই কারণেও ধন্যবাদ এই যে তারা সারাবছর ধরে অপেক্ষাও করে আছেন । দেহলিজ যাতে বন্ধ না হয়ে যায়, তার জন্য নানান ক্রিয়েটিভ কাজে সাহায্য করেছেন । আমি আশা করি, তাদের পাঠকসংখ্যা বৃদ্ধি হবে ও পাঠকগণও প্রিয় লেখকদের পত্রিকার পাতায় দেখে খুশী হবেন । আপনারা সবাই নিশ্চয় এর বর্তমান ও আগামী নিয়ে সুচিন্তিত মতামত দেবেন । আলোচনা চলুক । লকড আউট দিনে নিরাশ হবেন না । দেহলিজ পড়ুন, আপনার মূল্যবান মতামত অবশ্যই জানাবেন ।
ক্লিক করুন । শেয়ার করুন । পড়ুন ও পড়াবেন ।
---------------------------

 

নয়ী-সড়কের পাঠকামি

কুতুব কথা বলো

শাহিদিল্লির দরবারে

Comments

Popular posts from this blog

চৈতালি দাস

নীপবিথিচৈতালি দাস
প্রতিদিনের মত আজও ঠিক সন্ধে সাতটায় শুভ্রর ফোনটা এলো । গত দু - মাস হল এই ফোনটার অপেক্ষায় থাকে গার্গী ‌।সাতটা বাজার আগে থেকেই মোবাইলটা নাড়া চাড়া করে । কখন ও কখন ও আবার  মনে হয় মোবাইল এর রিংটোন টা মিউট করা আছে হয়তো  ,শুভ্রর ফোন বেজে গেছে শুনতে পায়নি । তারপর হাতের মুঠোয় ধরা মোবাইলটা ভালো করে দেখে বোঝে যে এসবই তার মনের ভুল । মোবাইল এর সাউণ্ড একেবারে ম‍্যক্সিমামে  দেওয়া  আছে।
--হ‍্যাঁ , হ‍্যালো শুভ্র বলো বলো ।
-- কাল তো  তোমাদের ওদিকে ভয়ানক ঝড় - বৃষ্টি  হয়েছে দেখলাম । তোমরা ঠিক আছো তো? সকালে নিউজে খবরটা দেখতে দেখতে ভাবলাম অফিসে পৌঁছেই  তোমাকে একটা ফোন করবো কিন্তু অফিসে ঢোকার পর থেকে একটার পর একটা এমন কাজে ফেঁসে গেছি যে ফোন করতে পারিনি, এই জাস্ট পাঁচ মিনিট আগে মিটিং শেষ করে নীচে নেমে সিগারেটটা ধরিয়ে তোমাকে ফোন টা লাগালাম।
-হ‍্যাঁ শুভ্র কাল ঝড়ের এই তাণ্ডবে সারা কলকাতা তছনছ হয়ে গেছে , টিভি তে বলছিল ঝড়টা নাকি প্রায় একশো কিলোমিটার বেগে চলেছিল। আমার তো ভয় করছিলো যে সত্তর বছরের পুরোনো এই বাড়ি না ভেঙে পড়ে ‌। পুরো বাড়িটা কাঁপছিল ঝড়ের দাপটে । আমাদের বাগানে  একটা  আমগাছ ও পড়েছে ,তবে গাছট…

রীতা বিশ্বাস পাণ্ডে

বেনারসের কিছু কথারীতা বিশ্বাস পাণ্ডে 

 ফেব্রুয়ারী মাসটা পেরুলেই আমার কেমন ঘুরু ঘুরু মনটা করতে থাকে। বাড়ীর ভেতরে আর মন টেকে না মনে হয় কোথাও ঘুরে আসি। কাজেই ১০ই এপ্রিল বেড়িয়ে পড়লাম বাড়ী থেকে । উদ্দেশ্য বেনারস। জাগাটা বরাবরই আমাকে টানে কারন ওটা আমার শ্বশুর বাড়ী ও বটে আর গঙ্গার ঘাট তো আছেই।
প্রায় পাঁচ বছর পর বেনারস যাচ্ছি। ষ্টেশনে আগের মতো আর শুধু সিঁড়ি না স্কেলেটর ও তৈরি হয়ে গেছে। আজকাল চারিদিকে এতো সুবিধে যে একা একা ও পুরো দেশ ঘোরা যায়। হটাত রেইল ওয়ে ট্র্যাক গুলোতে চোখ গেল। বিশাল একটা মাউস মানে ধেড়ে ইঁদুর। খুব নোংরা দেখতে গায়ের লোম গুলি ঝড়ে গেছে।ইশ ভীষণ ঘেন্না করছে দেখতে। ইঁদুরটা একবার এদিক একবার ওদিক দেখে আবার তার গর্তে গিয়ে ঢুকে পড়ল। কোন একটা ট্রেন তিন নম্বর ট্রেকে দাঁড়িয়ে ছিল সেটা এবার ছাড়ল আর সেটা চলে যেতেই সেকি গন্ধ টইলেটের রে বাবা। এতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল তাই সবাই ফ্রেশ হয়ে নিয়েছিল আর তারই ফলস্বরূপ এই অবস্থা। তাড়াতাড়ি আমি আমার জানালাটা বন্ধ করে দিলাম। তখন সারে সাত টা বাজে। ট্রেন ছাড়ার আরও দশ মিনিট বাকী। কাল ওয়াট আপে একটা ম্যাসেজ পেয়েছিলাম সেটা হচ্ছে কিনা যাদের নাকি হার্টের প্রবলেম থাকে ত…

চৈতালি দাস

এক বিকেলের  গল্প
চৈতালি দাস

পরমেশ বাজার থেকে এসে থলিটা রান্নাঘরের দরজার পাশে নামাতে নামাতে বলল, শুনছো আজ তাড়াতাড়ি বেরোবো অফিসে, নতুন একটা কাজের ব্যাপারে  মিটিং আছে।
নীলা  হাতের কাজ ফেলে থলি থেকে তরকারি পাতি নামাতে গিয়ে দেখলো আজও আদা আনেনি পরমেশ। ব‍্যস , সকাল সকাল নীলায মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে গেল।
একে তো পরমেশের অফিস বেরোনোর সময়ের কোনো ঠিক থাকে না, কখন বেরোবে তা আগে থেকে কিছু জানায়‌ও না ,তারপর হুড়োহুড়ি করে কোনোরকমে রান্না নামিয়ে খেতে দিতে হয়।

কিছু দিন হলো পরমেশ ওর খবরের কাগজের চাকরিটা ছেড়ে​ নিজের পাবলিশিং হাউস খুলেছে । একবার বাড়ি থেকে বেরোলে কাজ ছাড়া আর অন্যকোনো দিকে খেয়াল থাকেনা পরমেশের। এমনকি খেতেও ভুলে যায় । দিনের পর দিন অনিয়ম করতে করতে পেটে আলসার বাঁধিয়ে বসেছে সে । এখন ডাক্তারের কড়া নির্দেশে বাইরের খাবার খাওয়া  আর তেল ,মশলা, ঝাল এক্কেবারে বন্ধ   । তাই পরমেশ অফিস বেরোনোর আগে ভাত আর একটা পাতলা ঝোল যে ভাবেই হোক রেঁধে খাইয়ে পাঠায় নীলা।

 বাজারের থলি থেকে মাছ বের করে রান্নাঘরের বেসিনে রেখে নীলা বাজারে ছুটলো আদা আনতে কারণ এখন পরমেশ কে আর বাজারে পাঠানো যাবে না। সে এতক্ষণে বাথরুমে…