Skip to main content

দিল্লির বাংলা সাহিত্য গ্রুপ নিয়ে একটি সমীক্ষা

হোয়াটস এক সমীক্ষাঃ

আমদের এই সামান্য সাহিত্য চর্চার একটি আসর হিসাবে দিল্লির দু চারজন কবিবন্ধু বান্ধব মিলে একটা ক্ষুদ্র হোয়াটস এপ গ্রুপ আছে সেট আপ করেছিলাম । প্রায় বছর চারেক হলো । নানান বিবিধতা, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বিভিন্ন মতামত, শিক্ষার স্তরের বিভিন্নতা , ভাষার ব্যারিয়ার দীর্ঘদিন বাংলার মূল ভূখণ্ডের বাইরে থাকা ছিলো আমাদের গ্রুপের কাঠামো বা চ্যালেঞ্জ । ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিওনের বন্ধুর রাস্তায় বারে বারে মুখ থুবড়ে পড়া । কতবার যে আহত হয়েছি তার ঠিক নাই । কিন্তু মন মানে না, আবার উঠে দাঁড়াই, আবার আমাদের গ্রুপের যাত্রা শুরু হয় । 

গ্রুপের কবি ও সাহিত্যবন্ধুদের অশেষ কৃতজ্ঞতা তবুও অনেকেই আমাকে/গ্রুপকে ছেড়ে যান নাই । বরং রিসেন্টলি কয়েকজন উৎসাহী কবির শক্তিশালী কবিতায়, আলোচনায় গ্রুপ নতুন মাত্রা পেয়েছে । গ্রুপে নানান টপিক নিয়ে কথা বার্তা হয়,  গতকাল আমি একটি সমীক্ষা চালাইঃ কারা ঠিক মতো গ্রুপটি ফলো করেন এবং বাংলা সাহিত্য কে আপন গৃহপ্রাংগণেও ফলো করে চলেছেন, এই দিল্লির বন্ধুর জমিতে নিভৃতে করে চলেছেন সাহিত্য চর্চা । একটা গেম খেলার জন্য আমি আবেদন রাখি ।  আমি মোটামুটি একটা টাইমলাইন(এডিটেড) দিচ্ছি । 




[10:01 pm, 22/07/2020] Pijush Biswas: বিতর্ক থাক ;  ভাবছি, একটা গেম খেলা যাকঃ 

‘বনলতা সেন’ বোধ হয় জীবনানন্দ দাশের (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৯-- ২২ অক্টোবর ১৯৫৪) সবচেয়ে পাঠকপ্রিয় কবিতা। এ পর্যন্ত কবিতাটির নিবিড় পাঠ তেমন একটা হয়নি।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমালোচক এটিকে প্রেমের কবিতা বিবেচনা করে খুঁজেছেন বনলতা নামক নারীর জন্ম-পরিচয়, পারিবারিক বৃত্তান্ত, কবির সাথে পরিচয়-সম্পর্ক আর মিলন-বিরহের ব্যাপারাদি। কেউ বলেছেন বনলতা কবির কাব্যলক্ষ্মী, কেউ বলেছেন নাটোরের অপরূপ সুন্দরী বনলতার সাথে কবির সাক্ষাৎ হয়েছিল নাটোরে বনলতাদের বাড়িতেই, কারো মতে বা কবি তাকে দেখেছিলেন কলকাতা যাবার পথে ট্রেনের কামরায়। নাটোর থেকে এক পরিবার একদা বরিশালে এসে জীবনানন্দদের বাড়ির পাশে স্থায়ী বসতি স্থাপন করে, সে পরিবারের যুবতীকন্যা বনলতার চোখে দৃষ্টি রেখে অভিভূত হয়েছিলেন কবি এমন ধারণাও প্রচলিত। 

আপনারা, নিজের মতো করে বনলতা সম্পর্কে কি মনে হয় একটু যদি জানানঃ  বনলতা জীবনানন্দ দাশের কে ছিলেন ?

[10:15 pm, 22/07/2020] Shaswati Ganguli: বনলতা সেন এক আর্কেটাইপ বা প্রত্নপ্রতিমা যে বারবার বিভিন্ন নামে ঘুরে ঘুরে এসেছে জীবনানন্দের কবিতায়।চিরন্তন কাঙ্ক্ষিত সেই নারী।যাকে নিয়ে মূল কবিতা লেখার আগে তিনটি খসড়া লিখেছিলেন তিনি।

[10:16 pm, 22/07/2020] Shaswati Ganguli: আমি নিজের মত করে বললাম।এটা চূড়ান্ত নয়।

[10:17 pm, 22/07/2020] Pijush Biswas: ওকে ।  আমিও তাই চাইছি । যার মনে যা হয়েছে । অথেন্টিকেটেড হতে হবে সেই রকম মানে নেই ।

[10:18 pm, 22/07/2020] Pijush Biswas: নিজের মনের কথা খুলে বলুন , কোন ট্রল নয়, ভুল ধরার কালচার থেকে সরে আসতে চাইছি ।

[10:23 pm, 22/07/2020] Pijush Biswas: এই কামেন্ট না আমারও আর্কেটাইপ লেগেছিলো, কিন্তু পরে সেই ধারণা অনেকখানি বদলে যায় ।  সে কথা আমি এখনই বলছি না , আগে অন্যরা কে কি অভিজ্ঞতা শেয়ার করে , সেটা শুনে বুঝে নিই ।

[10:25 pm, 22/07/2020] Pijush Biswas: যে যতটুকু বোঝেন , লিখতে পারেন ।

[10:31 pm, 22/07/2020] Manisha Kar: Thank you sooooo much, Bah ...Suru hok

[10:45 pm, 22/07/2020] Pijush Biswas: সবাই বলছে তো, এইবার তুমিও বলে ফেলো । বনলতা সম্পর্কে তোমার কি ধারণা ?

[11:28 pm, 22/07/2020] RitaBiswas Pandey: আচ্ছা বনলতাকে কবি অন্ধকারেই আকাঙ্ক্ষা করতেন কেন? তিনি কি কোন বারবনিতা ছিলেন? নাকি নিছকই সায়নকালে স্বপ্নের  নারী?

[11:36 pm, 22/07/2020] Pijush Biswas: যারা কবিতা লিখছেন , আমি সবাইকেই অনুরোধ করি বনলতা সম্পর্কে দুলাইন লিখতে । সামান্য দুলাইন । আশা করি এইটুকু সময় আপনার বের করতে পারবেন । কিংবা যদি কারো প্রশ্ন থাকে , তাও রাখতে পারেন । আমি কাল বিকেলে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো । আমার জানা না থাকলে, আমি অন্য এক্সপার্টকে আমন্ত্রণ জানাবো উত্তরটি দিতে ।

[7:14 am, 23/07/2020] Adv Sinha: Banalota Sen was a portays and imaginary archive of poet J. Das. There was a girl namely Shovona who deeply love poet but unfotunetly poet forced to marry Labannyo. Resultant married life was not happy. Poet reparced in this poem: "amake du dondo shanti diyechilo Bonolata Sen" . poet dedicated all repentance
of life to Shovona by the name of Bonolata Sen.

[0:15 pm, 23/07/2020] তাপস চন্দন: da vinchi r " monalisa ", Rabindranath r Nandini baa Jibanananda r Bonolata sen keu e rakta mangsho r manabi noy  - architype baa protiki . Bonolata sen asadharon ekti preme r kobita . Erokom chitrokolpo r kono kabi likhechen bole amar jana nei .🙏


[0:16 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: ধন্যবাদ তাপসদা , আপনার মূল্যবান মতামত বরাবর ঋদ্ধ করে ।

[0:19 pm, 23/07/2020] তাপস চন্দন: " ...... ati dur samudrer por hal bhenge j nabik haraeche disha .... " baa ' .... samasto diner seshe sisir r sabder moton sandhya neme ase ..."

[0:43 pm, 23/07/2020] Hirak Roy: Kobir kobitate akhanda tripti Pele r ki chaii. Jabanananda sei triptir e r an naam. Romantikata kobir madhey thakbe kintu baktijibaner kotha na hoi baad e thak. Bikhato kabira o manush. Bhalo asha JE Kono manusher moto taser jibaneo asheche. Sei dike na takye taar sristir madhye abagahan korte parle r ki chai


[0:47 pm, 23/07/2020] Hirak Roy: Typographyr trutir janna marjana prarthi.  Asha noi basha.            Taser noi Tader

[1:13 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: বনলতাকে পাঠকের কি মনে হয় - এই প্রশ্নে পাঠকের যে অনুভূতি , তার ভাববাচ্য, তার কবিতার প্রতি খোঁজ পাওয়া যায় । বনলতাকে যদি আয়না মনে করেন, তাতে পাঠকের নিজের ছবি ভেসে ওঠে ।  যারা গ্রুপে ইনএকটিভ, তারাও একটা কথা বলার অবকাশ পান ।  তাই, ভুল ,  ঠিক না ভেবে সবাই সবার মতামত দিন । সবার মতামত জরুরী । পারটিসিপেশন থাক ।

[1:54 pm, 23/07/2020] Chanchal Doctor: বনলতা সেন এক কবির না পাওয়া স্বপ্ন। মনে হয়, সবার মনের অবচেতনে এমন কেউ থাকে। যা অনেক সময় কবির inspiration হয়।

[2:09 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: ধন্যবাদ Chanchal da

[2:52 pm, 23/07/2020] Hirak Roy: Na paoar jantrana na thakle srishti gaaro hoina. Seta Van Gog e hok ba Kono kobi hok. Jantranar r ek naam jibon. Agune na purle khati sona paoa jaina

[8:16 pm, 23/07/2020] Gautam Faridabad: 👍👍

[8:18 pm, 23/07/2020] Gautam Faridabad: বনলতা সেনের পরিচয় কি পাওয়া গেলো?

[8:18 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: গৌতমদা , বনলতা নিয়ে আপনার ইন্টাপ্রেটশনটা কী ? কবি কেন তাকে নিয়ে এমন কবিতা লিখলেন ?

[8:30 pm, 23/07/2020] Gautam Faridabad: আমি যতদূর জানি জীবনানন্দ নিজে বনলতা সেন সম্পর্কে কোনো কথা বলেননি। জানতে চাইলে এড়িয়ে গিয়েছেন, সুতরাং আমরা আমাদের মত ভেবে নিতেই পারি। তবে ইন জেনারেল আমার মনে হয় অনেক কবিই নিজের মনের মধ্যে এমন কোনো নারী বা পুরুষের ছায়া এঁকে নেন, হয়তো এমন কাউকেই তিনি জীবনের কোনো পর্যায়ে ভালবাসতে চেয়েছিলেন, সেই ছায়া বেশীরভাগ সময়ই হয়তো মনগড়া হয়, কখনো বা হালকা করে হলেও কোনো বাস্তব চরিত্রের রূপটান তাতে থাকে। কোথাও পড়েছিলাম জীবনানন্দের ছোটবেলায় এমন একজন কিশোরী যে ওনার থেকে বয়সে সামান্য বড় ছিলেন তিনি ওনাদের বাড়ির কাছেই থাকতেন আর এই 'বনলতা সেন' নাকি তাঁর ছায়া থেকেই উঠে এসেছেন। তবে আবারও বলি স্রষ্টাই একমাত্র বলতে পারেন কে সেই ছায়া প্রেমিক বা প্রেমিকা, আমরা শুধু আলোচনাই করতে পারি।

[8:36 pm, 23/07/2020] +880 1715-675205: বনলতা সেন কোন এক নির্দিষ্ট নারী নন। কোন এক নির্দিষ্ট মানুষের প্রেমও নন। এ হলো মানুষের হাজার বছরের প্রেমের ইতিহাস। জগতে মানুষের আবির্ভাব থেকে যে প্রেমের শুরু। বনলতা শুধু প্রতীক মাত্র। বন+লতা = বনলতা নামটি জীবনানন্দ দাশ খুব সুচিন্তিতভাবে নির্বাচন করেছেন। এটি খুব প্রতীকাশ্রয়ী একটি নাম। 'নাটোর' নামটিও এসেছে দৈবচয়িত।

[8:38 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: প্রশ্নটা আরো একটু ডিটেলসে জিজ্ঞাসা করি! ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছাড়া অন্য কোন সম্পর্কও খুঁজে দেখা যায় ? কবিতায় এমন কি রিপ্রেজেনটেশনের দরকার পড়লো তাতে বনলতাকে হাজির করতে হলো ? এটা কি প্রেম, কল্পনারী, মানসপ্রতিমা, নাকি যে কোন র‍্যানডম বাঙালি নারী চরিত্র রাখলেই সেই উদ্দেশ্যটা সফল হতো ?

[8:39 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: রাজশাহীতে / দিনাজপুরে বোধহয় নাটোর নামের একটি নগর ছিলো ।

[8:43 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: এইটা ব্যাখ্যাটা আমার ভাবনার অনেকটা কাছাকাছি ।

[8:43 pm, 23/07/2020] +880 1715-675205: এখনো আছে। নাটোর বাংলাদেশের একটি জেলা।

[8:44 pm, 23/07/2020] Chanchal Doctor: নাটোরের রাজারা খুব বিখ্যাত। নাটোর উত্তর বাংলায়। যদিও বরিশাল একেবারে দক্ষিণ বাংলায়, তাই বনলতা সেনে নাটোর কথাটি আসা তাৎপর্য রাখে। প্রসঙ্গত, কলকাতায় আমার বাড়ি ছিল নাটোর পার্কে।

[8:46 pm, 23/07/2020] Chanchal Doctor: বনলতা কি উত্তর ও দক্ষিণ বাংলার মধ্যে মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন?

[8:46 pm, 23/07/2020] +880 1715-675205: এই কবিতায় 'হাজার বছর ধরে পথ হাঁটিতেছি' বলা আছে। সিংহল, বিদর্ভ, শ্রাবস্তী  ইত্যাদি প্রাচীন নগরীর নাম আছে। সাথে আছে আজকের দিনের নাটোর।
[8:47 pm, 23/07/2020] Chanchal Doctor: " নাটোরের বনলতা সেন "

[8:47 pm, 23/07/2020] +880 1715-675205: মানে কবি মানবেতিহাসের কথাই বলেছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন- প্রেমই মানবসভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে চলে

[8:49 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: ইতিহাসে, নাটোর ছিলো বিজনেস হাব । গুপ্তযুগে প্রতিষ্ঠিত ছিলো । তমলুক (তাম্রলিপ্ত) বন্দর ছিলো আর একটি বিজনেস হাব । গুপ্তযুগে রমরমা ছিলো খুব ।
[8:50 pm, 23/07/2020] +880 1715-675205: এবং এখনো টিকে আছে

[8:51 pm, 23/07/2020] +880 1715-675205: একটি সময়রেখার দিকে ইঙ্গিত এটি

[9:06 pm, 23/07/2020] Gautam Faridabad: জীবনানন্দ 'বনলতা সেন' এই নামটির ব্যাপারে খুব সম্ভবত একটি মন্তব্য করেছিলেন। বলেছিলেন ১৯৩২ সালের আশেপাশে খবরের কাগজে এক বন্দীর খবর হয়েছিল, আর সেই বন্দীর নাম ছিল 'বনলতা সেন', সেখান থেকেই এই নামটি তাঁর মনে গেঁথে যায় আর যেটা তিনি কবিতায় ব্যবহার করেন। খুব সম্ভবত জীবনের অনেক হতাশা অনেক না পাওয়া, এই সবকিছু তিনি এক ছায়া মানবীর কাছে নিবেদন করে হয়তো খুঁজতে চেয়েছিলেন 'শান্তি'। 

আর কিছু জানি না।
[9:12 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: ধন্যবাদ গৌতম দা ।

[9:12 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: দেবাশিসদা আছেন ? বলবেন দুকথা ?

[9:15 pm, 23/07/2020] Chanchal Doctor: https://www.thedailystar.net/opinion/tribute/banalata-sen-eternal-love-story-1365970

[9:16 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: দাদা, আমি এক্সপার্ট রায় জানতে চাইছি না :)  আপনাদের রায় কি, সেইটা জানার ইচ্ছা । 😀

[9:19 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: আপনি জীবনানন্দকে কিভাবে, কতটা কাছ থেকে দেখেন, তার কবিতায় কতটা আগ্রহ , কিভাবে জীবনানন্দ আপনার কবিসত্বায় জুডে বসে সেইটা জানতে ইচ্ছে হয় ।
[9:23 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: এই প্রশ্নটায় জবাব দিন ।

[9:27 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: ৯ জন এ পর্যন্ত জবাব দিয়েছেন । নট ব্যাড । কাল আমি একটা সারাংশ লিখবো । গ্রুপে যারা নিয়মিত ইন্টারএকশন করছেন, তাদের প্রতি আমি একটা শ্রদ্ধার্ঘ্য রাখা হবে । একটা আর্টিকেল রূপেও প্রকাশ করা যেতে পারে দেহলিজ গ্রুপে ।

[9:29 pm, 23/07/2020] Gautam Faridabad: বেশ বেশ।

[9:31 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: মনীষা ম্যাডাম কোথায় গেলেন ? সবচেয়ে বেশী কবিতা এইগ্রুপে উনিই লেখেন । বলা যায় বেশী জনপ্রিয় কবি উনিই । ওনার মতামতটা জরুরী । বনলতা কি শুধুই প্রেমিকা নাকি অন্য কিছু ।
[9:35 pm, 23/07/2020] Kobita Bondopadhyaya: মুগ্ধ হলাম শাশ্বতী 😍🌹

[9:42 pm, 23/07/2020] Pijush Biswas: কবিতাদি, আপনি কিছু বলুন বনলতা নিয়ে ।

[9:43 pm, 23/07/2020] Kobita Bondopadhyaya: আচ্ছা, বলবো নিশ্চয়

[10:09 pm, 23/07/2020] Shaswati Ganguli: 🙏

[0:13 am, 24/07/2020] Kobita Bondopadhyaya: বনলতা সেন কে নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই।অশোক মিত্র ও সুদীপ্ত সেনগুপ্ত এঁর সম্বন্ধে লিখেছেন,প্রথম জনের  লেখায় জানতে পারি বনলতা একজন রাজবন্দী ছিলেন (প্রাক স্বাধীনতা আমলে)
পরবর্তীতে তিনি কলকাতার একটি কলেজে অঙ্কের অধ্যাপনা করেন। 
বিভিন্ন মতভেদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য কয়েকটি লিখবো । জীবনানন্দ দাশ নাটোরের রাজবাড়ীতে অতিথি হয়েছিলেন একবার, সেখানে কয়েকজন মহিলার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়েছিল
 তাদের মধ্যে একজন অনুরোধ করেন তাকে নিয়ে একটি কবিতা লিখতে।শোনা যায় কবি তাকে নিয়ে একটি কবিতা লেখেন এবং বনলতা সেন এই কল্পিত নাম দেন যাতে রাজবাড়ীতে তার কোনো বদনাম না হয়। 
আর একটি তথ্য.... নাটোর এস্টেটের ম্যানেজার ভুবন সেনের বিধবা বোন বনলতা সেন, খাবার টেবিলে দু-দণ্ডের পরিচয়, এবং এই বনলতা সেনকে নিয়েই নাকি বনলতা সেন কবিতাটি।আরও একটি তথ্য ....কবি একবার দার্জিলিং মেলে যাচ্ছিলেন,পথে নাটোর থেকে ভুবন সেন…
[8:26 am, 24/07/2020] Gautam Faridabad: 👏👏
[9:32 am, 24/07/2020] Pijush Biswas: দারুণ তথ্যবহুল পোস্ট । বিশেষ করে কবি দান্তের উল্লেখ , অন্য এক দিশা দিলো এই আলোচনায় । আমাদের প্রিয় কবির নিজস্ব এক অন্য প্রিয় কবি ছিলেন । যার লেখা জীবনানন্দকে ভাবাতো । 🙏
[9:33 am, 24/07/2020] Shaswati Ganguli: 🙏




এই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে সেই বিবিধতার কথা যা আমি ভূমিকায় বলেছিলাম । দিল্লির বাংলা সাহিত্য একটু গ্রুপ যা একটু একটু করে দানা বাঁধছে । অনেক উৎসাহী বাংলা কবিদের অবস্থান । যার ভিতরে অভিজ্ঞ কবি ও অভিজ্ঞ সাহিত্য জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তি রয়েছেন আবার যারা নতুন কিছু বছর লেখা শুরু করেছেন , তারাও আছেন । আমার ধারণা: এই একটা ইকো সিস্টেম যেখানে সবাই বাঘ হয় না, সবাই হরিণ ও না । যে যার ক্ষেত্রে পরিচারণ করে । ধীরে ধীরে উপলব্ধির পর্যায় পার করে আসে, কবিতার হরিত ক্ষেত্রে নিজের কবিতার বীজ পুতে দিয়ে যাবে বলে । সবাই ভালো লিখছেন, আনন্দে আছেন । আমি আসবো এক নতুন টপিক নিয়ে কাল । 

সুস্থ থাকবেন, করোনা মুক্ত থাকবেন ।    

Comments

Popular posts from this blog

চৈতালি দাস

নীপবিথিচৈতালি দাস
প্রতিদিনের মত আজও ঠিক সন্ধে সাতটায় শুভ্রর ফোনটা এলো । গত দু - মাস হল এই ফোনটার অপেক্ষায় থাকে গার্গী ‌।সাতটা বাজার আগে থেকেই মোবাইলটা নাড়া চাড়া করে । কখন ও কখন ও আবার  মনে হয় মোবাইল এর রিংটোন টা মিউট করা আছে হয়তো  ,শুভ্রর ফোন বেজে গেছে শুনতে পায়নি । তারপর হাতের মুঠোয় ধরা মোবাইলটা ভালো করে দেখে বোঝে যে এসবই তার মনের ভুল । মোবাইল এর সাউণ্ড একেবারে ম‍্যক্সিমামে  দেওয়া  আছে।
--হ‍্যাঁ , হ‍্যালো শুভ্র বলো বলো ।
-- কাল তো  তোমাদের ওদিকে ভয়ানক ঝড় - বৃষ্টি  হয়েছে দেখলাম । তোমরা ঠিক আছো তো? সকালে নিউজে খবরটা দেখতে দেখতে ভাবলাম অফিসে পৌঁছেই  তোমাকে একটা ফোন করবো কিন্তু অফিসে ঢোকার পর থেকে একটার পর একটা এমন কাজে ফেঁসে গেছি যে ফোন করতে পারিনি, এই জাস্ট পাঁচ মিনিট আগে মিটিং শেষ করে নীচে নেমে সিগারেটটা ধরিয়ে তোমাকে ফোন টা লাগালাম।
-হ‍্যাঁ শুভ্র কাল ঝড়ের এই তাণ্ডবে সারা কলকাতা তছনছ হয়ে গেছে , টিভি তে বলছিল ঝড়টা নাকি প্রায় একশো কিলোমিটার বেগে চলেছিল। আমার তো ভয় করছিলো যে সত্তর বছরের পুরোনো এই বাড়ি না ভেঙে পড়ে ‌। পুরো বাড়িটা কাঁপছিল ঝড়ের দাপটে । আমাদের বাগানে  একটা  আমগাছ ও পড়েছে ,তবে গাছট…

রীতা বিশ্বাস পাণ্ডে

বেনারসের কিছু কথারীতা বিশ্বাস পাণ্ডে 

 ফেব্রুয়ারী মাসটা পেরুলেই আমার কেমন ঘুরু ঘুরু মনটা করতে থাকে। বাড়ীর ভেতরে আর মন টেকে না মনে হয় কোথাও ঘুরে আসি। কাজেই ১০ই এপ্রিল বেড়িয়ে পড়লাম বাড়ী থেকে । উদ্দেশ্য বেনারস। জাগাটা বরাবরই আমাকে টানে কারন ওটা আমার শ্বশুর বাড়ী ও বটে আর গঙ্গার ঘাট তো আছেই।
প্রায় পাঁচ বছর পর বেনারস যাচ্ছি। ষ্টেশনে আগের মতো আর শুধু সিঁড়ি না স্কেলেটর ও তৈরি হয়ে গেছে। আজকাল চারিদিকে এতো সুবিধে যে একা একা ও পুরো দেশ ঘোরা যায়। হটাত রেইল ওয়ে ট্র্যাক গুলোতে চোখ গেল। বিশাল একটা মাউস মানে ধেড়ে ইঁদুর। খুব নোংরা দেখতে গায়ের লোম গুলি ঝড়ে গেছে।ইশ ভীষণ ঘেন্না করছে দেখতে। ইঁদুরটা একবার এদিক একবার ওদিক দেখে আবার তার গর্তে গিয়ে ঢুকে পড়ল। কোন একটা ট্রেন তিন নম্বর ট্রেকে দাঁড়িয়ে ছিল সেটা এবার ছাড়ল আর সেটা চলে যেতেই সেকি গন্ধ টইলেটের রে বাবা। এতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল তাই সবাই ফ্রেশ হয়ে নিয়েছিল আর তারই ফলস্বরূপ এই অবস্থা। তাড়াতাড়ি আমি আমার জানালাটা বন্ধ করে দিলাম। তখন সারে সাত টা বাজে। ট্রেন ছাড়ার আরও দশ মিনিট বাকী। কাল ওয়াট আপে একটা ম্যাসেজ পেয়েছিলাম সেটা হচ্ছে কিনা যাদের নাকি হার্টের প্রবলেম থাকে ত…

চৈতালি দাস

এক বিকেলের  গল্প
চৈতালি দাস

পরমেশ বাজার থেকে এসে থলিটা রান্নাঘরের দরজার পাশে নামাতে নামাতে বলল, শুনছো আজ তাড়াতাড়ি বেরোবো অফিসে, নতুন একটা কাজের ব্যাপারে  মিটিং আছে।
নীলা  হাতের কাজ ফেলে থলি থেকে তরকারি পাতি নামাতে গিয়ে দেখলো আজও আদা আনেনি পরমেশ। ব‍্যস , সকাল সকাল নীলায মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে গেল।
একে তো পরমেশের অফিস বেরোনোর সময়ের কোনো ঠিক থাকে না, কখন বেরোবে তা আগে থেকে কিছু জানায়‌ও না ,তারপর হুড়োহুড়ি করে কোনোরকমে রান্না নামিয়ে খেতে দিতে হয়।

কিছু দিন হলো পরমেশ ওর খবরের কাগজের চাকরিটা ছেড়ে​ নিজের পাবলিশিং হাউস খুলেছে । একবার বাড়ি থেকে বেরোলে কাজ ছাড়া আর অন্যকোনো দিকে খেয়াল থাকেনা পরমেশের। এমনকি খেতেও ভুলে যায় । দিনের পর দিন অনিয়ম করতে করতে পেটে আলসার বাঁধিয়ে বসেছে সে । এখন ডাক্তারের কড়া নির্দেশে বাইরের খাবার খাওয়া  আর তেল ,মশলা, ঝাল এক্কেবারে বন্ধ   । তাই পরমেশ অফিস বেরোনোর আগে ভাত আর একটা পাতলা ঝোল যে ভাবেই হোক রেঁধে খাইয়ে পাঠায় নীলা।

 বাজারের থলি থেকে মাছ বের করে রান্নাঘরের বেসিনে রেখে নীলা বাজারে ছুটলো আদা আনতে কারণ এখন পরমেশ কে আর বাজারে পাঠানো যাবে না। সে এতক্ষণে বাথরুমে…