Skip to main content

Posts

Showing posts from August, 2018

প্রথম প্রকাশ

Click Here to go to magazine main page.
দিল্লিস্থিত রবীন্দ্রভবনে অনুষ্ঠিত রবীন্দ্রজয়ন্তীতে প্রকাশ পেল প্রথম দেহ্‌লিজ । দেহলিজের প্রথম পাতা খুলে দিল্লির কবিতার প্রাণপুরুষ কবি দিলীপ ফৌজদারের হাতে তুলে দেওয়া হয় ট্যাব । কবিতার ফেরিয়ালার মতো ফেরি করে চলেন দিল্লির কবিতা স্বপ্নমালা । দিল্লির লেখকদের মধ্যে ছিলো অন্য উন্মাদনা, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, গানের মাঝে দিল্লির কবিদের উজ্বল উপস্থিতি ।




সমস্ত কবি / লেখকদের একে এক ওয়েবসাইটের  ইউ আর এল ( URL : http://www.dehlij.com ) তুলে দেওয়া হয় । পার্টিসিপেশন ছিলো স্বতস্ফউর্ত , সাড়া ছিলো দারুন ।


উল্লাস আর হৈ হৈ দিয়ে যাত্রা শুরু হলো দিল্লির কবিতার ডিজিটাল যুগ । প্রচুর লেখক জুড়ে যাচ্ছেন । দিল্লির দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের কবি লেখকেরাও জুড়ে গেছেন দিল্লির বাংলা সাহিত্য গ্রুপে ।






যোগাযোগের জন্য ঃ poet.area@gmail.com এ  মেল করুন । কথা বলা যায় যে কোন সদস্যদের সঙ্গে ।

ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোয়েশ্চন

৬ই মে প্রকাশ পাচ্ছে 'দেহ্‌লিজ'  পীযূষকান্তি বিশ্বাস
আজকের ঘোষণা: দিল্লির বাংলা সাহিত্য গ্রুপের নিজস্ব সাহিত্য পত্রিকা হবে । ওয়েব ম্যাগাজিন ।
সম্ভাব্য প্রতিনিয়ত জিজ্ঞাসা করার প্রশ্নগুলি (FAQ) আমি এই রকম ভাবলাম । আর যেহেতু আমি মনে করি এই গ্রুপের সবাই ক্রিয়েটিভ ব্যক্তি, কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার , তাদের মতামত নিয়ে এই ওয়েব ম্যাগাজিনের পথনির্দেশ তৈরি করা হবে ।



প্রশ্ন: পত্রিকাটির নাম কি হবে ?
উত্তর: দেহ্‌লিজ

প্রশ্ন: দিল্লি থেকে এত পত্রিকা থাকা স্বত্বেও আর একটি পত্রিকা কেন ?
উত্তর: দিল্লি বাংলা সাহিত্যের কোন ওয়েব প্রেজেন্স নেই । কাল যে কোন ব্যক্তি দিল্লি থেকে সাহিত্য চর্চা করতে চান, দিল্লির বাংলা সাহিত্য নিয়ে রিসার্চ করতে চান, আমরা তাদের জন্য কোন ওয়েব ফুট-প্রিন্ট রেখে যেতে চাই । দেহ্‌লিজ হবে দিল্লির সাহিত্যের প্রবেশদ্বার ।

প্রশ্ন: পত্রিকাটি ওয়েব ম্যাগাজিন কেন ? ফেসবুকে তো বেশ কাজ চলে যায় ।
উত্তর: দেহ্‌লিজ একটি ফিক্সড অ্যাড্রেস পত্রিকা । কোন একাউন্ট নির্ভর নয় । আর ফেসবুক হল একাউন্ট নির্ভর সোশ্যাল মিডিয়া । কাল যদি ভারত সরকার ফেসবুক কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, আপনার ফেসবুক কন্টেন্ট ব…

সম্পাদকীয়

দেহ্‌লিজ, জন্ম নিলো । দেহ্‌লিজ দিল্লির বাংলা সাহিত্যকে যথাযথ মর্যাদায় প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে ।  দেহ্‌লিজ কাজ করবে কমিউনিটির মধ্যদিয়ে, টেকনোলজির সাহায্য নিয়ে ।  দিল্লি বাংলা মূল ভূখণ্ডের বহুদূরে আরাবল্লী রিজের উপর ঘনয়মাণ সাহিত্যের এই পুষ্প প্রকাশ পাবে ডিজিটাল মাধ্যমে । দিল্লির বাংলা সাহিত্য যার শিকড় পাথুরে জমির অতল গভীরে ঢুকে আছে আর ইতিহাসের পাতায় পাতায় যা নিহিত রয়েছে । সেই শিকড় বেয়ে উপরে উঠে আসা সেই আকরিক যা বাংলা সাহিত্যের কবি, লেখক, নাট্যকারদের লেখনীতে ধরা পড়ছে । বাংলা থেকে দূর কোন এক্সকিউজ নয়, সাহিত্যমানের প্রতি দায়বদ্ধ আমাদের এই দিল্লির সাহিত্য প্রয়াস ।  দেহ্‌লিজের কর্মকাণ্ডে তাই কোলাবোরেশনের বড় একটা শ্রেয় থাকছে । বাংলা সাহিত্য এর কোর । ধনী, গরীব, পুরুষ , মহিলা, কেরানী, আই এস অফিসার , ডাক্তার, রোগী, ছোট, বড় ভেদ ভাও থেকে দূরে এই দেহ্‌লিজের অবস্থান । এর কোন চাঁদা নেই, কোন মেম্বারশীপ নেই । কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেহ্‌লিজ । সোশ্যাল মিডিয়া এই ডেভেলপমেন্টকে ছড়িয়ে দিচ্ছে দিল্লির কোনায় কোনায় ।  

প্রশ্ন থাকতে পারে, সাহিত্যে দিল্লির কোন অবদান আছে নাকি ? কিংবা দিল্লির বাংলা …

দ্বিতীয় সংখ্যা

দেহ্‌লিজের দ্বিতীয় সংখ্যা

দিল্লির পক্ষে দেহ্‌লিজ একটি স্ট্রং পদক্ষেপ । দিল্লির হাতে গোনা লিটল ম্যাগাজিন, ওয়েবজিন, তাদের দুএকটি ম্যাগাজিন ছাড়া প্রায় পত্রিকাগুলি অনিয়মিত, এবং তা চরম ভাবেই স্বাভাবিক । এটাই দিল্লির বাংলা সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য । দিল্লির কি নিজস্ব সাহিত্য চরিত্র থাকতে পারে ? সাহিত্যে কি ভৌগলিক বলে কিছু হয় ? যেখানে ভাষাটা এক । 



এ এমন একটা জরুরী বিষয়, যেখানে কোন স্ট্যাম্প মারা সিদ্ধান্ত দেওয়া যাচ্ছে না দিল্লি বাংলা সাহিত্যের কাছে বিরাট কিছু দৃষ্টান্ত, কিন্তু একটা বিশ্বাস তো করাই যায় যে দিল্লির নিজস্ব একটা বিষয় আছে ?  বৃহত্তর বৃত্ত থেকে আলাদা করে ক্ষুদ্রতর গণ্ডির ভিতর কিছু কি সৃষ্টিশীল থাকতে পারে ?


ডায়াস্পোরা নিয়ে কথা হয়, দিল্লির বাংলা শব্দে হরিয়ানভি ঠাট্‌ , বরিশালের গাংচিল আর রংপুরের লালমাটির মত স্পষ্ট । তো জাহির হে, বাংলাকে শুদ্ধ বাংলা বলতে যত প্রয়াসই হোক, আমরা আরাবল্লির মাটির গন্ধকে কি করে ভুলে যাই ?


তাহলে দিল্লি থেকে এতদিন ধরে আর কি লিখছি আমরা ? 


কিছুটা ক্লোন, কিছুটা স্মৃতি,  নাকি ঢাকা কলকাতা থেকে আগত সাংস্কৃতিক চর্চা । এটা দিয়েই শুরু, কিন্তু এইভাবে রিং রোড বরাবর হাঁটতে থাক…

ঝুমা চট্টোপাধ্যায়

পরিচ্ছন্ন   সমতল  জায়গাটাঝুমা  চট্টোপাধ্যায়
নেই।  হাঁ ইয়া’ক  অ্যাকটু ডিংল্যার ঝাল দাও!- - - - নেই! অনেক দূর থেকে এসিচি, নুচি আর রইচে? ---- নেই! আবার কঁকাইচিস? দুবো এক ঘা! তুর বাপ কোথা? ----- নেই! তোর চোদ্দ পুরুষের নাম বল্! এক্ষুণি! ----- নেই! সব দেশে মোর আছে ঘর, আমি সেই ঘর ... ---- বললাম না নেই! ভাল খারাপ কথা না, হিটলার ইহুদী মেরেছিল ( ইহুদীদের হাতে পয়সা বেশি)। ট্রাম্প আমেরিকা থেকে বাঙালী তাড়াচ্ছে। জার্ম্মানীতে নাজিরা উঠছে, স্পেন ফ্রান্স বলছে , বিদেশী ভাগাও। এ মুহুর্ত্তে নাগরিকত্বহীন প্রমাণ করে কিছু মানুষকে আসাম রাজ্য থেকে সরাসরি তাড়িয়ে দেবার পাকাপাকি ব্যবস্থা আন্ডার প্রসেসিং..., ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও এমন ঘটনা ঘটছে না নিশ্চিত বলা যায়না কিন্তু শোষিতটি যখন সীতাফল্, পেঠা, কিওনী, ব্ল্যাক পামকিন না বলে পাতি বাংলায় ‘কুমড়ো’ উচ্চারণ করেন, তখন গা মাথা ঝনঝনায়, আঙ্গুল নিশপিশ করে( আমার একটা গীতবিতান ছিল না! মেজ মামার দেওয়া!),এবার পয়লা বৈশাখের সকালে দেশে ফোন করেছিলাম( আরে বাবা সানডে ছিল),যে যাই বলুক আমি বাবা দুর্গাপুজোয় অষ্টমীটা ছুটি নিই,... ... অ্যাঁ ! সেকি? এন আর সি চল্লিশ লক্ষ বাঙালির পাছায় কিক মেরে…

সৈয়দ হাসমত জালাল

খননসৈয়দ হাসমত জালাল

আজ এক প্রত্নজীবন খুঁড়ি, যেখানে মৃত্যুর তন্ময় ছায়া
ছড়িয়ে রয়েছে গাঢ়, উদাসীন...
ভাঙা পাথরের দেবী, বীণাটি অক্ষত আজও
শীতাবসানের শিরশিরে হাওয়া বয়ে যায় তার ছুঁয়ে ছুঁয়ে
আর সুর ওঠে স্তব্ধগহন থেকে,
পাতালপৃথিবীর বুকে ওঠে ঝড়,
কীকরে তা ধারণ করবে দু'হাজার বছরের কঙ্কাল---
দুটি হাত খসে পড়ে, পাঁজরের হাড় খসে খসে যায়,
করোটির ভেতরে জমেছে মেঘ
অন্তর্লীন চকিত বিদ্যুৎগুলি,
চোখের কোটরে ক্ষীণ ঝরনারেখা আর
ইতিহাসগ্রন্থের পাতায় পাতায় থমকে থেমে থাকে সেই
মেহরোলি রোড, কুতবের পাশে ধূসর উটের গাড়ি ...
বাংলার গেরুয়ামাটির পথ, বাউল-বৈরাগী, ভক্তের দেশ..
আরবসমুদ্র আর খাড়িসভ্যতা...
ফাল্গুনের নীলাভ আকাশে যুদ্ধ ও জন্মের হাহাকার...
সেইসব অসাড় জীবাশ্ম খুঁড়ি
আর নিঃঝুম শূন্যের ভেতর কলকল প্রাণস্রোতের
শব্দ শোনা যায়