Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2018

প্রিয়দর্শী দত্ত

দিল্লি কবে থেকে হিন্দি সাহিত্যের কেন্দ্রবিন্দু হলো? প্রিয়দর্শী দত্ত মধ্য দিল্লির চার বাই উনিশ অসফ আলী রোডের উপর অবস্থিত হিন্দি জগতের বৃহত্তম প্রকাশনী সংস্থা ‘প্রভাত প্রকাশন’| তারা সাম্প্রতিক কালে ইংরেজি প্রকাশনা তেও হাত দিয়েছে| উল্লেখযোগ্য ভাবে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত শ্রী এ পি জে আব্দুল কলামের প্রায়  সব কটি গ্রন্থ তারাই হিন্দি ও ইংরেজি তে প্রকাশ করেছে| গত ২৩ বছর ধরে প্রভাত প্রকাশন ‘সাহিত্য অমৃত’ নামে একটি মাসিক ও প্রকাশ করে| পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সংস্কৃত ও হিন্দির প্রথিতযশা পণ্ডিত শ্রী বিদ্যানিবাস মিশ্র (১৯২৬-২০০৫)|বর্তমানে যাঁর উপর এই ভার ন্যস্ত, তিনি সম্ভবত ভূভারতে প্রবীনতম সম্পাদক| ত্রৈলোক্যনাথ চতুর্বেদী, বয়স নব্বুই, অবকাশ প্রাপ্ত IAS আধিকারিক, ভূতপূর্ব CAG, পদ্ম বিভূষণ প্রাপ্ত, কর্ণাটকের প্রাক্তন রাজ্যপাল| পত্রিকার প্রত্যেক সংখ্যাতে পাঁচ/ছয় পাতা জুড়ে থাকে তার ছয়/সাতটা বিষয়ের উপর সাক্ষরিত সম্পাদকীয় বা সাইনড এডিটরিয়াল| প্রায় আশি পাতার মাসিকে ওই গুলোই হয়ত দিল্লির নিশ্চিত অবদান| বাকি কাহিনী, কবিতা, প্রবন্ধ ইত্যাদির মধ্যে দিল্লির থেকে একটা আধটা লেখা থাকতেও পারে আবার নাও পারে|

কৃষ্ণা মিশ্র ভট্টাচার্য

জঙ্গলফায়ার  একটি অলৌকিক ঘোড়া এবং এক জোড়া শালিখ কৃষ্ণা মিশ্র ভট্টাচার্য আগুনরা মরে গেছে চারপাশে হাউলিং হলুদ পশ্চিম ও পূব দুদিকেই লাল।তবে ক্যানভাস আকাশে রং দুটির ছোপ কিছু কিছু আলাদা। পূবের রং জ্বলন্ত হলুদ—এতক্ষণ আগুন রং ছিল—এখন ডিমের কুসুম পশ্চিমে লাল ছোপ মুছে এখন অন্ধকার মাখছে। এমনটাই ধূসর  সন্ধ্যা। গেষ্ট হাউসের সাদা মর্মরে গ্রাফিত্তি ওরা দুজন।মাঝখানে পাথরের টেবিল- দুদিকে দুটি বেতের চেয়ারে ওরা। মুখোমুখি তবে একে অপরকে দেখছিল না।যেন দুজন বসে আছে দুজন কে নিয়ে আবার নেই ও। আসলে ওদের দুজনের মঝখানে ঢুকে পড়েছিল তৃতীয় কোন ও রং, সময় অথবা আগুন। ওরা একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে; আবার বলছে ও না ওদের সংলাপ ণ্ডলো পাতা ঘাস লনে, মোজায়েক মসৃণ বেডরুমে , নীল বেডস্প্রেডে এভাবে বাজতে থাকে ;  --- ‘ বাঁশের সাঁকো টা দুলছে’  --- ‘ বনভূমি ময় পাতাঝরা বসন্ত’  -‘ আঙ্গুলে আঙ্গুল রাতলিপি নির্যাস যাদুঘর’  দুজন চুপচাপ।চায়ের পেয়ালায় ছোট্ট চুমুক। রোদ মরে যেতে অন্ধকারে নিষিদ্ধ ভুবন । --- ‘ তিনটে দমকল!’  -‘ তাও আগুনটা পুরোপুরি নেভেনি --- ‘ এতো ধূমল, পাংশুল আকাশ’  আগুন তো তাই –  -আগুন কি সব পোড়ায়— - কিছু কিছু মথন গ

পীযূষকান্তি বিশ্বাস

দিল্লিলিখন পীযূষকান্তি বিশ্বাস  আমাকে লিখতে হবে আর এক পৃথিবী বীজ থেকে শুরু করে তরুরাজির পর্ণমোচী হওয়া রৌদ্র থেকে চুষে নিয়ে রসে রসে আপন গোপন অক্ষরে লিখতে হবে আমায় এক সঞ্জীবনী বানী পাতায় পাতায় সাংকেতিক বাক্যবন্ধনে লিখে যেতে হবে আমায় দিল্লির এক বিনির্মাণ কাহিনী । এখনো আছে সেই জারণের অদ্ভুত রসায়ন গলে যাওয়া মুখের ভিতর জিহ্বা কশিকায় পিচ্ছিল হয়ে এলে বাল্কল সকল এই চৈত্রে খিল খিলিয়ে সবুজে সবুজে ঋতুমতী হয়ে ওঠে বুদ্ধজয়ন্তী পার্ক স্তূপ থেকে জেগে ওঠে পাথুরি খনিজ আমাকে লিখতে হবে অন্য পৃথিবীর আরাবল্লি রিজ এক পৃথিবী মানে অনেক রচনা, অক্ষর বিন্যাস ধোলাকুঁয়ার উপর দিয়ে মুড়ে যায় যে মেট্রো ট্রেনলাইন অপলক তাকিয়ে থাকি ওড়না উড়িয়ে এই গরমে কলেজ ফেরত কোনো ললনার দ্রুত চলে যাওয়া কোথাও থেকে তার চুলের খুশবু হাওয়ায় উড়ে আসে চলন্ত ট্রাফিক থমকে দাঁড়ায় এই তপ্ত শহরে ঝান্ডেবালান হয়ে ঘূর্ণিপাকে যে ধুলো ঘিরেছে রাজপথ যে ধুলো কোনোদিন উড়িয়েছিল তীব্র বেগে ধেয়ে আসা শেরশাহের অশ্ববাহিনী এতটা সহজ করে লিখতে পারিনি কখনো সুলতানি ইতিহাস জলের মতো করে বুঝিনি কখনো মুঘলের সাম্রাজ্যবাদী ভাষা এই যমুনার কৃষ্ণকালো স্রোতে যখন আমি লিখতে চেয়েছি কোন

ঝুমা চট্টোপাধ্যায়

গোরক্ষপুর এক্সপ্রেস ঝুমা চট্টোপাধ্যায় কিছুদিন হল আমার বাবা নাকে ঠিকমত নিঃশ্বাস পাচ্ছেন না । নিঃশ্বাসগুলি তাঁর নাক পর্যন্ত এসে বাইরে থেকে ফিরে যাচ্ছে ।  ঠাট্টা না , সত্যি । এই তো কিছুক্ষণ আগে আমি সোমার সঙ্গে বসে গল্প করছি , শুনলাম বাবা কাকে যেন দুঃখ করে বলছেন , যাঃ ঐ চলে যাচ্ছে , আর ধরা গেল না ! সোমা মাঝে মাঝে আমাদের বাড়ি বসতে আসে ।  কোন দরকার না , এমনি ।  পৌনে দুটা বাজলে চলে যায় । সোমাকে বললাম , বোস তো একটু , গিয়ে দেখে আসি বাবা কার সঙ্গে কথা বলছে ! আমাকে দেখেই বাবা বললেন , সামরিন , তোর আম্মিকে একবার পাঠিয়ে দে তো ! আমার আজ খিদা নাই । দুপুরে কিছু খাব না । ’ এখন তো সবে দশটা আব্বু ! দুপুরের অনেক দেরি । তুমি গোসল করেছ ? না করলে , যাও উঠ । গিয়ে ভাল করে গোসল করে এসো । আমাদের বাড়িতে তিনটা চৌবাচ্চা । একটা ছোট আর বড় দুইটা । ছোটটা আন্ডারগ্রাউন্ড । জল খুব ঠাণ্ডা । বাবা অবশ্য বারোমাস গরম জলেই গোসল করেন । ডাক্তার বলে দিয়েছে । তুমি কার সঙ্গে কথা বলছিলে আব্বু ? শুনতে পেলাম ! কারুর সঙ্গে না । তোর আম্মিকে ডাক দে ! বল যে আমি ডাকছি । এখনই । আমার আম্মি কুলসম বেগম খুবই ব্যক্তিত্ব সম্পন্না মহিলা । যে কেউ তাঁ

सुभाष नीरव

बुझानी है आग सुभाष नीरव  प्रेम के पंछी खतरे में हैं जंगल में नफरतों की आग सुलगी है हमें अपनी आँख के आँसुओं को बारिशों में बदलना है ! बरसों बाद बरसों बाद - कोई करीब आकर बैठा सर्दियों की गुनगुनी धूप-सा बरसों बाद - किसी ने यूँ हल्के से छुआ जैसे छूती है हवा हौले से सिहरन दौड़ाती देह में बरसों बाद - यूँ साझे किये अपने दो बोल किसी ने जैसे घर की मुंडेर पर आकर करती है चिड़िया बरसों बाद - खुशबुओं के सरोवर में उतरा हूँ डूब जाने के लिए ! समंदर इस समंदर का क्या करूँ जो खींचता तो है खूब अपनी ओर पर मेरी प्यास बुझाने के लिए चुल्लू भर पानी भी नहीं है जिसके पास लौटता हूँ - नदियों की तरफ ही अपनी प्यास लेकर पर नदियों की चाहतों में भी तो ये समंदर ही साँस लेता है ! याद की किश्तियाँ कितना उदास हो जाता है मेरे अंदर की झील का पानी जिस दिन नहीं उतरती हैं तेरी याद की किश्तियाँ इसमें ! प्रेम की बारिश एक शब्द मेरे पास था मैंने उसे पानी पर लिखना चाहा हवा, धूप और आकाश पर भी पर लिख नहीं पाया मैं मायूस हुआ धरती ने कहा - आ, मैं तेरे लिए सलेट बन जाती हूँ कागज़ बन जाती हैं आ, तू लिख मेरी देह पर मैंने अपने सीधे हाथ की तर्जन