Skip to main content

नीलम शर्मा

कविता

नीलम शर्मा 'अंशु'


1)
खुद को कभी अकेला मत समझो
अब तुम अकेले नहीं हो
पुष्य, भानु, रुद्र और हम हैं न।
जब भी लगें अंधियारे बादल घिरते से
प्रकाशमय हो उठेगा सारा आलम।

कैसे कोई खुद को अकेला न माने
जब इस धरती पर क़दम रखता है
और कूच करता है तब भी
अकेली नन्हीं सी जान होता है आदमी।

दुनिया के इस मज़मे में
सबके होते हुए भी तन्हा,
अकेला सा ही होता है आदमी।
प्यारा सा बचपन जब जाता है छूट पीछे
मंज़िल की तलाश में बढ़ते हुए
पाता है खुद को अकेला ही आदमी।

सैंकड़ों की भीड़ में हर पल
चेहरे पर मुस्कान लपेटे
सबकी नज़रों को झुठलाते
भीतर ही भीतर कितना तन्हा, अकेला
कैसे कर सकता है इन्कार
भला इस बात से आदमी।

उंगली पकड़ मार्ग पर चलना तो
कोई न कोई सिखा देता है पर
कोई भी ताउम्र साथ नहीं चलता
सफ़र तो अकेले ही तय करता है आदमी
ज़िंदगी के संघर्ष और चुनौतियों से
खुद ही पार पाता है आदमी।



तभी तो शायद ऐकला चौलो रे
कहा था बरसों पहले बाबू रवि ने।
अब इससे बिलकुल इतर
हम तुम्हारे साथ हैं कहा दद्दा ने।

ऐसे में जब साया भी न देता हो साथ
कहना तो दूर सोचने की भी
न हो फुर्सत जहां मानस में
ये जज़्बा पर्याप्त है देता हुआ संबल सा
मानो एक अभिभावकीय हाथ हो साथ
लिए बरगद सी स्नेहिल छत्रछाया
तो कहां अकेला रह जाता है आदमी।

2)
ख़ामोशियों की कहानी
कोई कैसे करे बयां
किस कलम
किस स्याही से?
हर ख़ामोशी कुछ
कहती नज़र आती है।
कभी देखा है ख़ामोश
निगाहों में आँखें डाल ?

कभी देखा है माँ की
उंगली थामे चले जा रहे
बच्चे की मासूमियत को
उस माँ की आँखों में है सपना
कि कल इसी तरह
वो उसकी उंगली थामेगा।

कभी ताका है उन वृद्ध
थकी निगाहों को
जो अतीत की खिड़की से
शून्य में निहारती हुई
सोचती हैं कि क्या
इसी भविष्य का
संजोया था सपना?

या फिर उन बूढ़ी
हड्डियों की आँखों में
जिनके पास सुख-सुविधा का
हर सामां मौजूद है पर
अपने सभी हैं सात समंदर पार
और वे रह गईं हैं बन मात्र पहरेदार
खंडहर होती जाती अट्टालिका की।

पता नहीं कब ज्योत बुझ जाए
कब तेल ख़त्म हो जाए बाती से
हर ख़ामोशी अपने में समोए होती है
एक कहानी को, गर समझ सको
महसूस सको उस ख़ामोश दर्द को।


Comments

Popular posts from this blog

দেহলিজ-৭ প্রকাশিত হলো

সুধী দেহলিজ-৭ প্রকাশিত হলো https://dehlij7.blogspot.com/     বহু প্রতীক্ষার পর, ফির`সে দেহলিজ । প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই কবি ও লেখক বন্ধুদের । তারা ভরসা রেখেছেন, কঠিন সময়ে যোগাযোগ রেখেছেন, ফোনে কথা বলেছেন । এই করোনা কালে, বেঁচে থাকাই হলো একটা গল্প, লড়াই করে যাওয়াই একমাত্র কবিতা । দিল্লি এনসিআর এর কবি বন্ধুরা আমার সঙ্গে ছিলেন, তারা আমার হয়ে দেহলিজের লেখা নিয়েছেন, নিজেরা এডিট করেছেন, সংযোজনা করেছেন ।  দিল্লির এই রুক্ষতার আবহেও এত সুন্দর একটা সাহিত্য উপস্থাপনা আমাদের দিয়েছেন, আমি সেই দেহলিজ সহযোগীদের কাছে ধন্যবাদ জানাই । শুধু দিল্লি নয়, ঢাকা, কলকাতা, হাওড়া, মেদিনীপুর, শিলিগুড়ি, বহরমপুর, হাওড়া, বাঁশদ্রোনী থেকেও আমাদের সঙ্গে থেকেছেন, ধন্যবাদ জানাই সেইসব লেখক ও কবিদের ।   দেহলিজের এই সংখ্যায় কিছু নতুন কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করা হলো । কবিতার সঙ্গে মেশানো হলো ছবি, ভাষ্কর্ষ ও ক্যামেরা ক্লিক । দৃশ্যময়তা ও টেক্সট একে অপরের জায়গা শেয়ার করা । নেওয়া হলো কবিতা নিয়ে আলোচনা । কবিরা কি ভাবছেন ? চিত্রকরেরা কি ভাবছেন এই ২০২১ এ দাঁড়িয়ে । যুক্ত করা হলো আন্তর্জাতিক কবি ও চিন্তকদের । যারা কবিতা, গদ্য ও বিশ্বসাহিত্য

আসছে দেহলিজের সংখ্যা - ৬

 প্রকাশ পাচ্ছে দেহলিজ-৬ করোনাকালের শুরুতে প্রকাশ পেয়েছিলো, দেহলিজ-৫ ; তেমন উচ্চবাচ্য হয়নি, ইচ্ছে করেই করা হয়নি, মানুষের কাছে বেঁচে থাকাই ছিলো একটা কবিতা । লকডাউন শুরু হলো, মানুষ আটকা পড়লো ঘরে । শুরু হলো ঘরে বসে লাইভ টেলিকাস্ট । দেহলিজে - নতুন গ্রুপ একটিভিটি বেড়ে উঠেছে । তার একটা খসড়া এই রকমঃ  প্রিয় কবি বন্ধুগণ   আজকের এই বিশেষ অবসরে, আমার কিছু যত্নে লালিত প্রস্তাব রাখার অভিপ্রায়ে , এই পোস্টের অবতারণা  । দেহলিজ পত্রিকার সম্পর্কে এই  বিষয়টি একটা অভিনব ও যুগান্তকারী বলেও  মনে হয় আমার । দিল্লির যানজট, লকড ডাউন,  অফিস ব্যস্ততা, বাংলা ভূখণ্ডের দূরত্বে ভৌগলিক অবস্থান , উৎসাহী কবির স্বল্পতা বাংলা চর্চার ক্ষেত্রে একটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে । তদুপরি ভাষার বিবিধতা , জাঠ হরিয়ানভি ঠাট,  পাঞ্জাবী কালচার আগ্রাসন করে নিয়েছে অনেক কিছু । বর্তমান দেশব্যাবস্থা, রাজনৈতিক সমীকরণ সাহিত্য দিল্লি-বক্ষে সাহিত্য প্রয়াসের প্রতিকুল সততই । এই রকম চ্যালেঞ্জ নেওয়াটাও একটি সাহসী পদক্ষেপ , আমাদের একত্রিত প্রয়াসে  আমরা বিভিন্ন সাহিত্য আড্ডা ও অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে তবুও তুলে ধরেছি । দেহলিজের এই অগ্রগতি আমাদের একটা আশ

প্রকাশ হলো দেহলিজ -৬

দেহলিজ-৬ প্রকাশিত হলো   ক্লিক করুন | Click Here   বহু প্রতিক্ষার পর, ফির`সে দেহলিজ । প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই কবি ও লেখক বন্ধুদের । তারা ভরসা রেখেছেন, কঠিন সময়ে যোগাযোগ রেখেছেন, ফোনে কথা বলেছেন । এই করোনা কালে, বেঁচে থাকাই হলো একটা গল্প, লড়াই করে যাওয়াই একটা কবিতা । দিল্লি এনসিআর এর কবি বন্ধুরা আমার সঙ্গে ছিলেন, তারা আমার হয়ে দেহলিজের লেখা নিয়েছেন, নিজেরা এডিট করেছেন । দিল্লির এই রুক্ষতার আবহেও এতসুন্দর একটা সাহিত্য উপস্থাপনা আমাদের দিয়েছেন, আমি সেই দেহলিজ সহযোগীদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই । শুধু দিল্লি নয়, মেদিনীপুর, শিলিগুড়ি, বহরমপুর, হাওড়া, বাঁশদ্রোনী থেকেও আমাদের সঙ্গে থেকেছেন, ধন্যবাদ জানাই সেইসব লেখক ও কবিদের ।    এই সংখ্যায় কিছু নতুন টেমপ্লেট নেওয়া হলো । ডেস্কটপ ও মোবাইল থিম আলাদা করা হয়েছে । নতুন করে সাজানো হয়েছে মেনু লিংক । অটোমেশন করা হয়েছে । সংখ্যায় বৈচিত্র নিয়ে কিছু কাজ করা হলো । কবিতা ছাড়াও রাখা হলো মুক্তগদ্য, অনূদিত নাটক, বই রিভিউ, স্মৃতিচারনা ও ছোট হল্প । আর একটি বিষয় নিয়ে এই প্রথম কাজ করা হলো সেটা হলো - কবিতা ও চিত্রকলার মিলনসংহার । ৬ জন কবির কবিতাকে উডকাট ব্লাক এন্ড হো